উপার্জনের চেয়েও এলাকার উন্নয়ন জরুরি- এক সুর রাধাকান্ত, তোফারুদ্দিনদের

এনএফবি, আলিপুরদুয়ারঃ

দুই গ্রামের মাঝ বরাবর বয়ে গেছে মুজনাই নদী, যা মানুষদের যোগাযোগের বড় প্রতিবন্ধকতা হয়ে দাঁড়িয়েছে। মুজনাইয়ের পশ্চিম পাড়ে ধুলাগাঁও আর পূর্ব পাড়ে দেওগাঁও। মুজনাইয়ের জন্য একাত্ম হতে পারেনি এই দুটি গ্রাম। দুই গাঁওয়েই ফালাকাটা ব্লকের অন্তর্গত। মুজনাই নদীর লখিয়তুল্লা ঘাট থেকে বঙ্কিমের ঘাট পর্যন্ত প্রায় দশ কিমি গতিপথে নেই কোনো পাকা সেতু। নদী পারাপারের জন্য একমাত্র ভরসা নৌকা বা বাঁশের সাঁকো। নদীর এই অংশের মধ্যে প্রায় পাঁচটি ঘাট রয়েছে। বেশিরভাগ ঘাট বেসরকারি বলে জানা গিয়েছে। তবে দুই গাঁওয়ের যোগাযোগ ব্যবস্থার জন্য সকলেই চায় স্থায়ী পাকা সেতু। এমনকি খেয়াঘাটের মাঝিদেরও দাবি তাই। নিজের উপার্জনের কথা চিন্তা না করে এলাকার উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিলেন এক খেয়াঘাটের মাঝি তোফারুদ্দিন। দেওগাঁয়ের তোফারুদ্দিনরা যেমন চায় পাকা সেতু তেমনি ধুলাগাঁয়ের রাধাকান্ত রায়রাও সহমত।

কিন্তু সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেবে কে?ভোটের আগে শুধু প্রতিশ্রুতিই মেলে বলে অভিযোগ রাধাকান্ত, তোফারুদ্দিনদের। সরকারের শাসক দল তৃণমূল থাকলেও ফালাকাটা বিধানসভা বিজেপির দখলে। ফলে দুই দলের টানাপোড়নে এলাকাবাসীর কপালে শিকে ছিঁড়বে কি? এটাই এখন বড় প্রশ্ন দুই গাঁয়ের বাসিন্দাদের।