ওড়িশা ম্যাচ হেরে শুধু গোলকিপারদের দোষ দিতে চান না দিয়াজ

অঞ্জন চ্যাটার্জী, এনএফবিঃ

শুরুটা ভাল করেও পরপর দু’টি ম্যাচে হার। পাঁচ গোল দিয়ে দশ গোল হজম করতে হয়েছে এই তিন ম্যাচে। রক্ষণ বিভাগের শোচনীয় অবস্থা। কোনও কোচই ভালভাবে নেবেন না এই ব্যাপারগুলো। এসসি ইস্টবেঙ্গলের স্প্যানিশ কোচ হোসে মানুয়েল দিয়াজ-ও দলের এই অবস্থা দেখে একেবারেই খুশি নন, বরং বেশ ক্ষুব্ধ তিনি। মঙ্গলবার তিলক ময়দানে ওড়িশা এফসি-র কাছে ৪-৬-এ হারার পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে যা বললেন কোচ, তা নিম্নলিখিত

প্রশ্নঃ আপনার দল কবে জয়ের মুখ দেখবে?

দিয়াজঃ এটা একটা বড় প্রশ্ন। যা দল আমাদের হাতে আছে, তাই নিয়েই খেলতে হবে। এই ধরনের ম্যাচ খেলার মতো যথেষ্ট দক্ষতা আমাদের আছে বলে মনে হয় না। মূলত সেট পিসেই আমরা পিছিয়ে যাচ্ছি এবং প্রতিপক্ষরা আমাদের গোল দিয়ে যাচ্ছে। আমাদের কাজ একটা লক্ষ্য স্থির করে সেই লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাওয়া। কিন্তু ইন্ডিয়ান সুপার লিগের মানে আমরা এখনও পৌঁছতে পারিনি।

প্রশ্নঃ পরপর দুটো হারের পর খেলোয়াড়দের মানসিক শক্তি কী ভাবে ফেরাবেন?

দিয়াজঃ প্রথম ৩০ মিনিট আমরা তো ভালই খেলেছি। তিনটে ম্যাচেই তাই হয়েছে। কিন্তু বাকি সময়ে আমরা মনসংযোগ হারিয়ে ফেলেছি, সেট পিস থেকে আমাদের প্রতিপক্ষ গোল করে বেরিয়ে গিয়েছে।

প্রশ্নঃ আমির দার্ভিসেভিচ ছাড়া কি দলের আর কোনও খেলোয়াড়কে সৃষ্টিশীল বলে মনে হচ্ছে?

দিয়াজঃ তিনটে ম্যাচে দলের সব মিডফিল্ডার খেলেছে। আমির কিন্তু খারাপ খেলেনি। ও কোনও বল ছাড়েওনি।

প্রশ্নঃ সিডোলকে আজ সামনে রেখে খেলালেন। চিমা বা সেম্বয়কে দিয়ে শুরু করালে ভাল হত না?

দিয়াজঃ চিমা ও সেম্বয় যতটা খেলেছে, ভাল খেলেছে। আর সিডোল তো অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার। তিনজন খেলোয়াড়কে তো একসঙ্গে রাখতে পারি না।

প্রশ্নঃ দলের ডিফেন্স লাইন-আপ নিয়ে কী বলবেন?

দিয়াজঃ নিজেদের গোল রক্ষার দায়িত্ব শুধু ডিফেন্ডারদের নয়, পুরো দলেরই। আমাদের দলের কেউই কাজটা ঠিকমতো করতে পারেনি। আমাদের বিপক্ষ খুব সহজেই গোলগুলো পেয়ে গিয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.