আন্তর্জাতিক মানের স্টেডিয়াম বাড়ঘাসিপুরে

এনএফবি,পূর্ব মেদিনীপুরঃ

প্রায় দু’দশক আগে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার বাড়ঘাসিপুর মৌজায় আন্তর্জাতিকমানের স্টেডিয়াম সহ স্পোর্টস কমপ্লেক্স গড়ার পরিকল্পনা করা হয়। ৩৫ হাজার আসন বিশিষ্ট স্টেডিয়াম, একটি ইন্ডোর স্টেডিয়াম, সুইমিং পুল, ট্রেনিং গ্রাউন্ড, আবাসিক ক্রীড়াবিদদের জন্য আধুনিক হস্টেল গড়ে তোলার নকশা তৈরি করে একটি নামী সংস্থা। একই সঙ্গে বিভিন্ন শিল্প সংস্থার কর্মীদের জন্য আবাসন তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয় কমপ্লেক্সের পাশেই। এর জন্য একটি বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে চুক্তি হয় হলদিয়া পুরসভার। তৎকালীন পুরবোর্ড সিদ্ধান্ত নিয়ে ওই বেসরকারি সংস্থাকে স্টেডিয়াম ও আবাসন তৈরির জন্য প্রায় ৬৫ একর জমি লিজে দেয়। আবাসনের জন্য ২৮ একর এবং বাকি জমি স্টেডিয়ামের জন্য। ঠিক হয়, আবাসনের ফ্ল্যাট বিক্রির অর্থ ওই সংস্থা বিনিয়োগ করবে স্টেডিয়াম তৈরির জন্য। ২০০৪ সালের ২৪ জানুয়ারি ওই স্টেডিয়ামের শিলান্যাস করেন তৎকালীন ক্রীড়ামন্ত্রী সুভাষ চক্রবর্তী। এরপর স্টেডিয়াম তৈরির কাজ শুরু হলেও তা মাঝপথে থমকে যায়।

হলদিয়া পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে স্টেডিয়াম তৈরির কাজ বন্ধ থাকায় স্থানীয় মানুষের দাবি মেনে পুরসভা নিজের উদ্যোগে সেকাজ শুরু করার পরিকল্পনা করে। ২০১৯-২০ সালের বাজেটে এর জন্য ৫ কোটি টাকাও পুরসভা বরাদ্দ করে। ২০২০ সাল নাগাদ নির্মাণকারী সংস্থার সঙ্গে চুক্তি বাতিল করে পুর কর্তৃপক্ষ। ওই সংস্থা তখন হাইকোর্টে মামলা করে। এরপর ২০২১ সালে সুধাংশু মন্ডল নতুন চেয়ারম্যান হওয়ার পর ফের স্টেডিয়াম তৈরি নিয়ে সক্রিয় হন। তিনি বলেন, স্টেডিয়ামের জমি নিয়ে বাম আমল থেকে দীর্ঘদিন ধরে কিছু সমস্যা থেকে গিয়েছিল। ওই জমির চরিত্র বদল করা অর্থাৎ ল্যান্ড কনভারসনের কাজ হয়নি। জেলা ভূমিদপ্তরের কাছে গিয়ে পুরসভা থেকে কয়েক লক্ষ টাকা ব্যয়ে ওই জমির চরিত্র বদল করা হয়েছে। আগের ওই নির্মাণকারী সংস্থার সঙ্গে বৈঠক করে সমস্যা মেটানো হয়েছে। তারা নতুন করে স্টেডিয়ামের ডিপিআর তৈরি করে কয়েক কোটি টাকা বিনিয়োগের আশ্বাস দিয়েছে। জানুয়ারিতেই কাজ শুরু হয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।


খবরটি প্রয়োজনীয় মনে হলে শেয়ার করুন

নিউজফ্রন্ট বাংলার এর ফেসবুক পেজে লাইক দিতে এখানে ক্লিক করুন
WhatsApp এ নিউজ পেতে জয়েন করুন আমাদের WhatsApp গ্রুপে
আপনার মতামত বা নিউজ পাঠান এই নম্বরে : +91 95936 66485

Leave a Reply

Your email address will not be published.