পাড়ার পুজোয় অষ্টমীর অঞ্জলিতে সামিল সৌরভ

অঞ্জন চ্যাটার্জী, এনএফবিঃ

পুজোয় আর পাঁচটা বাঙালির মতই সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়।সোমবার অষ্টমীর দিনে নিজের বড়িশা প্লেয়ার্স কনার্স পুজো মন্ডপে সামিল হয়ে অঞ্জলি দিলেন মহারাজ। সঙ্গে ছিলেন দাদা স্নেহাশিস গঙ্গোপাধ্যায় আর তাঁর আত্মীয় বন্ধু বান্ধবরা। সন্ধি পুজোতেও তার থাকার কথা।সপ্তমীর দিনেও সৌরভকে বড়িশা পুজোয় দেখা যায়। এরপর সিএবি সভাপতি অভিষেক ডালমিয়ার বাড়ির পুজোয় যান তিনি। এবার বেহালার বড়িশা প্লেয়ার্স কর্নারের পুজোর পঞ্চাশে পা । আর কাকতালীয় ভাবে সদ্য পঞ্চাশে পা দিয়েছেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ও। এই পুজোর উদ্বোধন করেন সৌরভ নিজে, সঙ্গে ছিলেন সদ্য অবসর নেওয়া মহিলা ক্রিকেটার ঝুলন গোস্বামী। শোনা যায় সৌরভের বাবা চন্ডি গঙ্গোপাধ্যায়ই এই পুজোর সূচনা করেন।

আয়োজকরা প্রথম থেকেই পুজোর ভাবনায় সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের পঞ্চাশ বছরের জন্মবর্ষকে মিলিয়ে দেওয়ার কথা বলেছিলেন। সেইমতো প্যান্ডেল সজ্জা থেকে প্রতিমার সাজে ধরা পড়েছে সেই ছোঁয়া। গত দু’বছরে মানুষকে করোনার দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। অনেকেই হারিয়েছেন তাদের প্রিয়জনকে। কিন্তু স্বাভাবিক নিয়মে ভাইরাস শক্তি হারিয়েছে। তাই এবার স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছে মানুষও। রোগের প্রকোপ থেকে দূরে রাখতে সবাইকে শুদ্ধ এবং সুচি থাকতে হবে। ঠিক একই ভাবে মায়ের পুজোতেও শুদ্ধ এবং সূচি থাকা গুরুত্বপূর্ণ। তাই এবার সেই থিম করা হয়েছে। আর প্যান্ডেলে ঢুকলেই সৌরভের নানা ব্যবহার করা জিনিস আপনার চোখে পড়বে। গত কয়েক বছরে পুজো নিয়ে আবেগ বেড়েছে সৌরভের।

খেলোয়াড়ি জীবনে শহরের বাইরে থাকলেও সুযোগ পেলেই চলে আসতেন। এবছরও পুজোটা উপভোগ করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। যদিও সব জায়গায় যাবেন না। এবার তার নতুন দাড়ির লুক পুজোতে যা অনেকের মন কেড়েছে। এই অষ্টমীর দিন সৌরভপ্রেমীরা চাইলেও ভুলতে পারবেন না। কারণ ২০০৮ সালে এমনই অষ্টমীর দিনে সন্ধ্যা বেলায় অস্ট্রেলিয়া সিরিজ শুরুর আগে সবাইকে অবাক করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানান মহারাজ।

নিউজ ফ্রন্ট বাংলার অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশন টি ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন।