আইপ্যাকের সাথে দূরত্ব ঘিরে প্রচারিত খবরের জবাবে টুইট তৃণমূলের

এনএফবি, নিউজ ডেস্কঃ

ঘাসফুল শিবিরের সাথে আইপ্যকের দূরত্ব বাড়ছে বলে প্রচারিত খবরকে ভিত্তিহীন বলে দলের টুইটার হ্যান্ডেলে টুইট করে জানালো তৃণমূল কংগ্রেস।

এই জল্পনার অন্যতম কারণ, গতকাল রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েনের একটি মন্তব্য। গতকাল রাজ্যসভায় তৃণমূলের দলনেতা বলেছিলেন, তৃণমূল আর আইপ্যাক এক নয়। আইপ্যাকের সঙ্গে তৃণমূলের পাঁচ বছরের চুক্তি। আর এজন্য তৃণমূলের হয়ে রাজনৈতিক সমীক্ষার কাজ করবে পিকের সংস্থা। কিন্তু দলের মতামতে হস্তক্ষেপ করবে না এই সংস্থা। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ডেরেক বলেছেন, “আমাদের বিস্তারের উদ্দেশ্য হল বিজেপিকে হারানো এবং যেখানে যেখানে বিরোধী দূর্বল সেখানে পা রাখা। তার মানে এই নয় যে তামিলনাড়ুতে বা মহারাষ্ট্রে পা রাখবে দল। কারণ সেখানে ডিএমকে এবং শিবসেনা-এনসিপি রয়েছে।” বাংলা জয়ের জন্য পিকে-কে একা ক্রেডিট দিতে রাজি নন তিনি।

এরপর থেকেই জল্পনা শুরু হয় মমতা প্রশান্ত দূরত্ব ঘিরে। যদিও পুরভোটের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা পর থেকেই বাংলার রাজনৈতিক মহলে এই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। দলের স্টিয়ারিং নিজের হাতে রাখতে নাকি ভোটকুশলীর সাথে দূরত্ব বজায় রাখছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। এমনকি আজ মহারাষ্ট্র নিবাসে কলকাতা পুরসভার বোর্ড গঠন ঘোষণা সভায় অনুপস্থিত ছিলেন ফলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তাতে জল্পনা আরও ধূমায়িত হয়। সেই জল্পনার অবসান ঘটাতেই তৃণমূলের টুইট। এদিন টুইটে জানানো হয়, ” আইপ্যাক এবং তৃণমূলের সম্পর্কের অবনতি নিয়ে যে সমস্ত খবর রটেছে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। একেবারেই অপপ্রচার ছাড়া আর কিছুই নয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে আমরা একটা টিম হিসাবে কাজ করছি, ভবিষ্যতেও সম্পর্ক বজায় থাকবে।”

Leave a Reply

Your email address will not be published.