জুলাই 8, 2024
Latest:
জেলা

তাঁতশিল্পের হাল ফেরাতে জেলা শাসকের একাধিক উদ্যোগ

এনএফবি, গঙ্গারামপুরঃ

গঙ্গারামপুরের তাঁতিদের হাল ফেরাতে তাঁত শিল্পীদের সাথে কথা বললেন জেলাশাসক আয়েশা রানি এ। বুধবার গঙ্গারামপুর শহরের বেশ কয়েকটি এলাকা ঘুরে তাঁতিদের সাথে কথা বলে তাদের সুবিধা অসুবিধার কথা শোনেন জেলাশাসক।সেইসঙ্গে তাঁতিদের হাল ফেরাতে একাধিক উদ্যোগ গ্রহণ করার কথা জানালেন জেলাশাসক।

এদিন, জেলাশাসকের সাথে উপস্থিত ছিলেন গঙ্গারামপুর মহকুমা শাসক পি প্রমোদ, গঙ্গারামপুর ব্লকের বিডিও দাওয়া শেরপা সহ অন্যান্যরা।উল্লেখ্য দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার ক্ষুদ্র ও কুটীর শিল্পের মধ্যে অন্যতম গঙ্গারামপুর তাঁত শিল্প । সাতের দশকে ওপার বাংলা থেকে আসা বেশকয়েকজন তাঁতির হাত ধরে গঙ্গারামপুরের বুকে গড়ে ওঠে তাঁতশিল্প।নয়ের দশকে কলকাতা,নবদ্বীপ,সমুদ্রগড়,সহ রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে পৌঁছে যায় গঙ্গারামপুরের তাঁতের শাড়ি।পুজো আসলে তাঁতিরা নাওয়া খাওয়া ভুলে শাড়ি তৈরি করতেন।তাঁতের শাড়ি বিক্রির জন্য গড়ে ওঠে অসংখ্য তন্তুবায় সমিতি। কিন্তু সে সব আজ সোনালী অতীত।নয়ের দশকের শেষদিক থেকে গঙ্গারামপুরের তাঁতের শাড়ির চাহিদা কমতে থাকে।তবুও কোনো রকমে খুড়িয়ে খুড়িয়ে চলছিল গঙ্গারামপুরের তাঁত শিল্প। তাঁত শিল্পকে বাঁচাতে গঙ্গারামপুরে ঠ্যাঙ্গাপাড়ায় গড়ে তোলা হয় তাঁত হাব।কিন্তু তাতেও কোন পরিবর্তন হয়নি তাঁতিদের।এদিকে করোনা আবহের গত দু বছরে গঙ্গারামপুরের তাঁতশিল্পদের অবস্থা আরো বেহাল হয়ে পড়েছে। স্বাভাবিক ভাবেই দুর্গাপুজোর আগে জেলার গঙ্গারামপুরের তাঁতিদের হাল ফেরাতে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে জেলা প্রসাশন।

সেইমতো আজ বুধবার গঙ্গারামপুর শহরের বেশকিছু এলাকা ঘুরে তাঁতিদের সাথে কথা বলে তাদের সুবিধা অসুবিধার কথা শুনলেন জেলা শাসক আয়েশা রানি এ এবং মহকুমা শাসক পি প্রমোদ।

জেলা শাসক আয়েশা রানি এ ৷ নিজস্ব চিত্র