জেলা

নবম হলদিয়া মেলার সূচনা

এনএফবি, পূর্ব মেদিনীপুরঃ

হলদিয়ায় শিল্পায়নের বার্তা দিয়ে সূচনা হয়েছে নবম হলদিয়া মেলা। ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে এই মেলা।উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, মন্ত্রী বিপ্লব রায়চৌধুরী, জেলাশাসক পূর্ণেন্দু কুমার মাজি, হলদিয়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান জ্যোতির্ময় কর-সহ অনেকেই।

এই মেলা থেকে হলদিয়ায় নতুন করে শিল্প বিনিয়োগের পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলে বার্তা দেওয়া শিল্প মহলকে। জেলাশাসক এবং এইচডিএর চেয়ারম্যান বলেন, হলদিয়ায় শিল্প সংস্থাগুলি জমি চাইছে। এটাই পরিবর্তনের ঈঙ্গিত। এখন স্বচ্ছতার সঙ্গে কারখানায় ঠিকা শ্রমিক ও কর্মচারী নিয়োগ হচ্ছে। দু’বছর পর মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে বড় আকারে হলদিয়া মেলা হচ্ছে। হলদিয়া নতুন করে কর্মমুখর শুধু নয়, এখানকার মানুষও উৎসব মুখর হতে চাইছেন। সে জন্য সরকারি ভাবে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এবার ক্ষুদ্রশিল্প ও গ্রামীণ কুটির শিল্পকে বাড়তি গুরুত্ব দিতে সবলা মেলার আয়োজন করা হয়েছে হলদিয়া মেলা প্রাঙ্গণে। এদিন মেলার উদ্বোধনের শুরুতে এইচডিএ অফিস থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা হয়। ইএফআর ও পুলিস ব্যান্ডের সঙ্গে স্কুল পড়ুয়াদের শিল্পকলা, কীর্তন সহ গ্রামীণ লোকশিল্পের মেলবন্ধন আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। এদিন মেলা উদ্বোধনে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার কে অমরনাথ, এইচডিএর সিইও সুধীর কোন্থাম, প্রখ্যাত ফুটবলার বিদেশ বসু সহ জেলা পুলিশ ও প্রশাসনের কর্তারা, বিধায়করা। তবে মেলার উদ্বোধনে দীর্ঘক্ষণ ধরে বরণের ঘটনা তাল কাটে অনুষ্ঠানের। ফলে শিল্প সংস্থার কর্তাদের মঞ্চে ডাকার পরও কাউকে বলতে না দেওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে। বেশির ভাগ শিল্প কর্তারা নিচে বসে থাকলেও সরকারি মঞ্চে তৃণমূল নেতাদের দাপাদাপিতে বিতর্ক দানা বেঁধেছে। তাছাড়া সরকারি মঞ্চে কেন বেসরকারি সংস্থা ও বন্দরের কার্গো হ্যান্ডেলিং এজেন্ট রিপ্লের লোগো ব্যবহার করা হয়েছে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে শিল্প সংস্থাগুলিই। যদিও এইচডিএর চেয়ারম্যান বলেছেন, কোনও শিল্প সংস্থার কাছ থেকে চাঁদা নেওয়া হয়নি।

নিউজ ফ্রন্ট বাংলার অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশন টি ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন।