মেহতাবের বায়োপিক নিয়ে আবেগপ্রবণ ইস্টবেঙ্গল তাঁবু

স্পোর্টস ডেস্ক, এনএফবিঃ

মেহেতাব হোসেন মিডফিল্ড জেনারেল নামটা শুনলেই ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের আবেগ ভেসে ওঠে। আর এবার সেই মেহেতাব হোসেনের হতে চলেছে বায়োপিক। এদিন ইস্টবেঙ্গল ক্লাবে তার পোস্টার লঞ্চ হল। মেহেতাব নিজে ছাড়াও হাজির ছিলেন প্রাক্তন ফুটবলার আলভিটো ডি কুনহা, রহিম নবি, ষষ্ঠী দুলে লাল হলুদের শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার ছবির প্রডিউসার শুভঙ্কর মিত্র-সহ বাকিরা।

এদিন দেবব্রত সরকার জানালেন, মেহতাবের সঙ্গে আমার একটা আত্মিক যোগ আছে। শুধু মেহতাব না অনেকেই আমার হাতে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবে এসেছেন।২০০৭ সালে একদিন সকালে মেহতাব আমাকে বলল যে আমি খেলা ছেড়ে দেব। সেটা দেখে আমার মন মেজাজ দুটোই খারাপ হল। আমি ওকে ডেকে বললাম যেদিন আমি সিদ্ধান্ত নেব সেদিন খেলা ছাড়বি। যদি না পারিস আমার সঙ্গে কোনো সম্পর্ক রাখবি না। ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের ধারে কাছে আসবি না ফোনও করবি না। তারপর ও দুপুরবেলা অবধি ক্লাবে ছিল। আমি ওকে শুধু বললাম জার্সি নম্বরটা পাল্টা সাফল্য আসবে। খুব কাকতালীয় ব্যাপারটা জার্সি বদলেই সাফল্য এলো। ওর প্রথম অধ্যায় থেকে দ্বিতীয় অধ্যায় বেশি সাফল্যর। ওর বায়োপিক নিয়ে আমরা সবাই আবেগপ্রবণ।মেহতাব নিজে জানাচ্ছেন, আমার ময়দানের গডফাদার নিতু দা। সেই সময়ে চোটের জন্য আমার খারাপ সময় যাচ্ছিল। নিতু দার টিপসে কাজ দিলো। আমি যে জায়গায় দাঁড়িয়ে আছি নিতু দার বড় অবদান প্রথমে আমার কোচ তারপরই নিতু দা। আমার প্রথম ইনিংসের থেকে ফুটবল জীবনের দ্বিতীয় ইনিংসটা বেশি ভালো। মানুষের জীবনে কখনও সব ভালো হতে পারে না। কিছু ভালো হবে কিছু খারাপ হবে এটাই জীবন। নিতু দাকেও কেউ ভালো বলে কেউ খারাপ বলে কিন্তু উনি লড়াই করেন। সামনে থেকে কাজ করেন স্পনসর আনেন। আমি খুবই উত্তেজিত এই বায়োপিক নিয়ে।

ছবির প্রডিউসার শুভঙ্কর মিত্রর কথায়, জানুয়ারি মাসে শুরু হবে ছবির শুটিং। কে ছবির নায়ক অর্থাৎ মেহতাবের ভূমিকায় কে অভিনয় করবে সেটা এখনও ঠিক হয়নি। তবে ২০২৩ সালেই মুক্তি পাবে ছবিটি।

নিউজ ফ্রন্ট বাংলার অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশন টি ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন।