বেশি গোল নয়, জয়কেই টার্গেট হাবাসের

অঞ্জন চ্যাটার্জী, এনএফবিঃ

ডার্বি জয়ের চার দিন পরে মাঠে নামতে চলেছে এটিকে মোহনবাগান। যাদের বিপক্ষে পরের ম্যাচ ,গত তিনবারের মুখোমুখিতে তাদের হারাতে পারেনি । এমনকি তাদের জন্য গতবার লিগশিল্ড, চ্যাম্পিয়নশিপ দুটোই হাতছাড়া হয়েছিল। এবার তার বদলা নেওয়ার পালা। প্রথম দুটো ম্যাচে রীতিমতো দাপুটে জয়ের পর সেই অবস্থায় আছেও তাঁর দল। তা হলে কি এবারে বদলা নিয়েই ছাড়বেন আন্তোনিও লোপেজ হাবাসের দলের ছেলেরা? কী বলছেন সবুজ-মেরুন কোচ?

মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠকে আলোচনা করলেন কৌশল নিয়ে তাঁর ভাবনা-চিন্তার কথাও। গতবারের চ্যাম্পিয়নদের বিরুদ্ধে নামার আগে হাবাস বলেন, প্রত্যেক ম্যাচেই জেতা দরকার। তাতে খেলোয়াড়দের আত্মবিশ্বাস বাড়ে। দলের মধ্যে ইতিবাচক মানসিকতা আছে। জয়ের সঙ্গে সঙ্গে সেটা আরও দৃঢ় হয়। আমরা ক্রমশ উন্নতি করছি। এই উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে তিন পয়েন্ট করে পেতে থাকলে আমাদের জেতার অভ্যাসটা তৈরি হবে। যেটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। গতবারের চেয়ে ওদের দলটা এবার পুরো আলাদা। ওদের কোচ নতুন। বিভিন্ন পজিশনে অনেক নতুন খেলোয়াড়ও এসেছে। তবে মুম্বইয়ের দলের বেসিকটা একই রকম আছে মনে হয়। রক্ষণের দিক থেকে ওদের কোনও ঝুঁকি নেই। গত মরশুমেও এরকমই ছিল। তবে প্রতিটা দলই প্রতি ম্যাচে বিভিন্ন ধরনের ফুটবল খেলে। সেটা আমাদের মাথায় রাখতে হবে। মুম্বই সিটি এফসি অবশ্যই ভাল দল। এটিকে মোহনবাগানও ভাল দল। কাল ভাল ম্যাচ হবে। কারা মাঠে নেমে ভাল খেলতে পারবে, কটা গোল করতে পারবে, এতেই তফাৎটা হয়ে যাবে অবশ্যই। সব দলেরই প্রতি ম্যাচে উন্নতি করার সুযোগ থাকে। কেউই চায় না নিজেদের খেলার মান নেমে যাক। আমাদের আক্রমণাত্মক ফুটবল চালিয়ে যেতে হবে। প্রয়োজনে আরও আক্রমণাত্মক হতে হবে। মাঝে মাঝে আমাদের পাঁচ-ছ’জন খেলোয়াড় আক্রমণে উঠে যাচ্ছে। কিন্তু রক্ষণকেও ওই সময়ে তৎপর থাকতে হবে। এটাই রক্ষণ ও আক্রমণের মধ্যে ভারসাম্য। আক্রমণের পরেই দ্রুত নেমে আসা বা দ্রুত আক্রমণে যাওয়া, এই ব্যাপারটাতে আমাদের আরও সড়গড় হতে হবে। প্রত্যেক দিন তো আর ৬-৭টা করে গোল করা যায় না। বিশ্বের বড় বড় ক্লাবগুলো বেশির ভাগ ম্যাচেই দু-তিনটে করে গোল করে। রোজ ৫ গোল দিতে গেলে দলের মধ্যে সে রকম ভারসাম্য থাকা দরকার। আমি ছেলেদের কখনওই প্রচুর গোল করার জন্য বলি না। আমার কাছে জয় এবং তিন পয়েন্টই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

Leave a Reply

Your email address will not be published.