স্থানীয়

[:en]ভাঙন রোধে দ্রুত কাজের দাবিতে বিক্ষোভ[:]

[:en]

এনএফবি, মালদাঃ

জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের জল উত্তোলন কেন্দ্রের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তুলে বিক্ষোভে সামিল নদী তীরবর্তী বাসিন্দারা। বুধবার দুপুরে মালদার মানিকচক ব্লকের মথুরাপুর শঙ্করটোলা এলাকায় জল উত্তোলন কেন্দ্রের সামনে চলে এই বিক্ষোভ। এই দপ্তরের গাফিলতির কারণে নদী পাড়ে ভাঙ্গন হয়েছে এমনই দাবি শঙ্করটোলা গ্রামের বাসিন্দাদের। বর্ষার আগেই নদীপাড়ের ভাঙ্গন এলাকায় কাজ করার দাবি তুলেছেন গ্রামবাসীরা। দ্রুত কাজ না হলে এই বর্ষায় এলাকা নদীতে তলিয়ে যাবে,এমনই আশঙ্কা গ্রামবাসীদের। গোটা ঘটনায় নদী পারে কাজের দাবি মানিকচক ব্লকের মথুরাপুর অঞ্চলের শঙ্করটোলা এলাকার মানুষের। এভাবে ধ্বস নামলে যে কোন মুহূর্তে তাদের বাড়িঘর তলিয়ে যেতে পারে সেই আশঙ্কাও করছেন বিক্ষোভকারীরা।

বিক্ষোভ। নিজস্ব চিত্র

মানিকচক ব্লকের মথুরাপুর শঙ্করটোলা এলাকায় জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের জল উত্তোলন কেন্দ্র রয়েছে। ফুলাহার নদী থেকে জল তুলে পরিশোধিত কেন্দ্রে জল সরবরাহ করা হয়। প্রায় মাস খানেক আগে নতুন পাইপ লাইনের মাধ্যমে নদী থেকে জল উত্তোলন কাজ শুরু করা হয়েছে। কিন্তু নতুন পাইপ লাইনে লিকেজ থাকায় জলের চাপে নদী পারে ধস নামে। ধসে যাওয়া নদী পারে কাজের দাবি করে আসছেন গ্রামবাসীরা। কিন্তু স্থানীয় বাসিন্দাদের জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের জল উত্তোলন কেন্দ্রের আধিকারিকদের জানানো হলো তারা কোনো কর্ণপাত করছেন না। এইভাবে ধস নামতে থাকলে বর্ষায় নদী তীরবর্তী এলাকায় অবস্থিত বাড়িঘরগুলি যেকোনো মুহূর্তে তলিয়ে যেতে পারে।এই আশঙ্কায় ভুগছেন গ্রামবাসী।ফলে দ্রুত কাজ করুক দপ্তরের কর্মীরা।

দপ্তরের পাইপ লাইনের লিকেজ থাকায় জল পড়ে নদী পড়ে সত্যি ধস নেমেছে বলে স্বীকার করেছেন পিএইচই দপ্তরের জল উত্তোলন কেন্দ্রের কর্মী অজিত মন্ডল। তিনি জানান, গোটা বিষয়টি দপ্তরের আধিকারিকদের জানানো হয়েছে। কি কারণে কাজ শুরু হচ্ছে না তা আধিকারিকরা বলতে পারবে। তবে গ্রামবাসীরা লিখিত দাবিপত্র দিলেই হয়তো দ্রুত কাজ শুরু হবে জানাচ্ছেন জানাবেন তিনি।

[:]